শনিবার   ১১ জুলাই ২০২০   আষাঢ় ২৬ ১৪২৭   ২০ জ্বিলকদ ১৪৪১

৩৯

কালো টাকা বিনিয়োগের সুযোগ দিতে হবে

প্রকাশিত: ২ জুন ২০২০  

অর্থনীতি যদি গতিশীল রাখতে হয়, বিনিয়োগ বাড়িয়ে কর্মসংস্থান বাড়াতে হয়। তাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিল্প-কারখানা সব খুলে দিতে হবে। মানুষের কাজের সুযোগ জারি রাখতে হবে। তাদের আয় বাড়াতে হবে। পাশাপাশি সরকারের মেগা প্রকল্পসহ বড় বড় প্রকল্পের কাজ বন্ধ করা যাবে না। প্রকল্পের কাজ চালু রাখা এবং মানুষের কাজের সুযোগ অব্যাহত রাখতে হবে। এর ফলে মানুষের হাতে টাকা যাবে। আর সরকারও এ থেকে একটা রাজস্ব পাবে।

সরকারের বিনিয়োগ বজায় রাখতে হলে রাজস্ব আয় না হলেও টাকার সংস্থান করতে হবে। এ জন্য সরকার বিদেশি উন্নয়  সহযোগীদের কাছ থেকে সহায়তার পরিমাণ বাড়াতে পারে। এরই মধ্যে সরকার বিশ্বব্যাংক, এডিবি, আইএমএফের কাছ থেকে অর্থের প্রতিশ্রুতি পেয়েছে। প্রয়োজনে এআইআইবি, আইডিবি, জাইকাসহ আরো যেসব উন্নয়ন সহযোগী আছে তাদের কাছেও যেতে হবে। বাজেট সহায়তা নিতে হবে। ফলে ওই টাকা যেকোনো প্রয়োজনে সরকার খরচ করতে পারবে। এর ইতিবাচক ফল যাবে অর্থনীতিতে।

রাজস্ব খাতেও কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে সরকারকে। নতুন করে কর আরোপ করা যাবে না। করের হারও বাড়ানো যাবে না। বরং আবাসনসহ বিভিন্ন খাতে কালো টাকা বিনিয়োগের সুযোগ অবারিত করতে হবে। এটার জন্য সময় নির্দিষ্ট করে দেওয়া যেতে পারে। এক বছরেই ঘোষণা দেবে, তবে পরবর্তী দুই-তিন বছর পর্যন্ত বিনিয়োগ করতে পারবে—এ রকম নির্দেশনা থাকতে পারে। করের হার সহনীয় হতে পারে। বেশি জটিল করলে আবার বিনিয়োগে সাড়া পাওয়া যাবে না।

টাকা বিনিয়োগে আনতে না পারলে পাচার হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। মানি লন্ডারিং আইনটি আরো যুগোপযোগী করতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক এ ব্যাপারে করণীয় ঠিক করতে পারে। সাধারণত আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের আড়ালে অর্থপাচার হয়। এটি বন্ধ করতে হবে। সর্বোপরি খেলাপি ঋণ কমাতে হবে। ব্যাংকিং খাতে যে নৈরাজ্য আছে তা থামাতে হবে।

এই বিভাগের আরো খবর