রোববার   ২৯ মার্চ ২০২০   চৈত্র ১৪ ১৪২৬   ০৪ শা'বান ১৪৪১

১১৬

গ্রামীণফোন-বিটিআরসি দ্বন্দ্ব পুঁজিবাজারের কাঠামোতে অনিশ্চয়তা 

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০ ডিসেম্বর ২০১৯  

বকেয়া ইস্যুতে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) এবং গ্রামীণফোনের দ্বন্দ্ব পুঁজিবাজারের স্ট্রাকচার (কাঠামো) ধ্বংস করেছে। এমনটাই মন্তব্য করেন পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান এম খায়রুল হোসেন।

বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর মতিঝিলে ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্টস ফোরামের (সিএমজেএফ) অফিস এবং ওয়েবসাইট উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বিএসইসির চেয়ারম্যান বলেন, ‘যখন রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান বললেন, বিনিয়োগ করতে হলে কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন-টিন) লাগবে, তখন থেকে পুঁজিবাজারে পতনটা শুরু হয়েছে। আমরা যখন তার ভুল ভাঙালাম, তারপর এটি সংশোধন হলো। তার দু-তিনদিন না যেতেই গ্রামীণফোনের সঙ্গে বিটিআরসির সমস্যা শুরু হলো। এটা শুধু বিটিআরসি বা গ্রামীণফোনকে ক্ষতিগ্রস্ত করেনি, আমার মার্কেটের স্ট্রাকচারকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে।’

এ দ্বন্দ্ব কীভাবে মার্কেটের স্ট্রাকচার ধ্বংস করেছে তা ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ‘বিদেশিরা যখন আসে ওরা ফান্ডামেন্টাল শেয়ার দেখে আসে। গ্রামীণফোনের পাশাপাশি ওরা অলিম্পিক, ইউনাইটেড পাওয়ার ও স্কয়ার ফার্মা কিনেছে। তারা সব বিক্রি করে যাচ্ছে। গ্রামীণফোনের সঙ্গে ওরা স্কয়ার ফার্মা, ইউনাইটেড পাওয়ার, ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর শেয়ার বিক্রি করেছে।’

পাঁচ কোম্পানি তথা- স্কয়ার ফার্মা, গ্রামীণফোন, ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো, ইউনাইটেড পাওয়ার এবং অলিম্পিক পুঁজিবাজার পতনের ৮০ শতাংশ কারণ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বাজার পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে, বিগত দুই মাসে সূচক ৩৬৪-৩৬৫ পয়েন্ট পড়েছে। এর মধ্যে ২৮০ পয়েন্টই পড়েছে স্কয়ার ফার্মা, গ্রামীণফোন ও ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর কারণে।’

খায়রুল হোসেন বলেন, ‘বিদেশিরা শেয়ার বিক্রি করে গেলে যে প্রেশার থাকে, তা বাজার নিতে পারে না। বিদেশিরা কোন হাউজ থেকে বিক্রি করে? সূচকের ওপর বড় বড় প্রভাব আছে এমন শেয়ার বিক্রি করে। সেখানে (ব্রোকারেজ হাউজ) যত বিনিয়োগকারী আছে তারা ভারসাম্যহীন হয়ে যায়। অর্থাৎ একটাকে দেখে আরেকটা প্রভাবিত হয়। এটি একটি সাইকেলের মতো কাজ করে।’

এই বিভাগের আরো খবর