সোমবার   ০৩ আগস্ট ২০২০   শ্রাবণ ১৯ ১৪২৭   ১৩ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

১২৬

প্রথম দু`দফার ছাড়পত্র পেলো ভারতের দ্বিতীয় করোনা ভ্যাকসিন

প্রকাশিত: ৩ জুলাই ২০২০  

করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা দিনের পর দিন বাড়লেও গত এক মাস ওষুধ-প্রতিষেধককে কেন্দ্র করে নানা রকম ইতিবাচক খবর শোনা যাচ্ছে। কিছু দিন আগেই ভারতে তৈরি প্রথম করোনা ভ্যাকসিন ‘কোভ্যাক্সিন’ (Covaxin) মানবশরীরে ট্রায়ালের জন্য ছাড়পত্র পেয়েছিল। এ বার সেই তালিকায় নাম ভারতের আরও একটি করোনা-ভ্যাকসিন।

ভারতের সব চেয়ে বড় ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থা ‘জাইডাস ক্যাডিলা’ (Zydus Cadila) এই প্রতিষেধকটি তৈরি করেছে।দু’ দফায় চলবে এই পরীক্ষা নিরীক্ষা। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক আর ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অব ইন্ডিয়া এই ছাড়পত্র দিয়েছে।

এমনিতে বিশ্বের বৃহত্তম জেনেরিক ওষুধ সরবরাহকারী দেশ ভারত। এ দেশের গবেষণা ও নতুন ওষুধ তৈরির ধারাবাহিকতা বিশ্বের দরবারে প্রশংসিত। ফলে ভ্যাকসিন তৈরির দৌড়েও এ দেশ উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করবে বলেই আশা করা হচ্ছে।

তবে ভারত একা নয়, করোনার ভ্যাকসিন নিয়ে এখন বিশ্ব জুড়ে গবেষণা চলছে। এই লড়াইয়ে অনেকের থেকে এগিয়ে গিয়েছে ব্রিটেনের অক্সফোর্ড (Oxford) বিশ্ববিদ্যালয়। পিছিয়ে নেই মার্কিন সংস্থা মডার্নাও (Moderna)। আবার বাংলাদেশেও ভ্যাকসিন তৈরির কাজ শুরু হয়েছে।

এই মুহূর্তে বিশ্ব জুড়ে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে রয়েছে ১৭টি টিকা। যার সব ক’টিই প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালে রয়েছে। অর্থাৎ হয় হিউম্যান ট্রায়াল শুরু হয়েছে, কিংবা কিছু দিনের মধ্যেই তা শুরু হবে। 

গত মে মাসে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছিল যে প্রায় ৩০টি সংস্থা করোনার ভ্যাকসিন নিয়ে কাজ করছে। সরকারের শীর্ষস্থানীয় বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা বলেছিলেন যে, একটি ভ্যাকসিন তৈরিতে সাধারণত ১৫ বছর সময় লাগে এবং ব্যয় হয় ৩০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। কিন্তু এখন সেই কাজটি ১২ মাসের মধ্যে শেষ করার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে।