বুধবার   ০৩ জুন ২০২০   জ্যৈষ্ঠ ২০ ১৪২৭   ১১ শাওয়াল ১৪৪১

৫৫৮

বাসর রাতে স্বামী-দেবর মিলে নববধূকে ধর্ষণ

প্রকাশিত: ১৮ মার্চ ২০১৯  

বরপক্ষের দাবি অনুযায়ী পণ দিতে পারেনি নববধূর পরিবার। তার শাস্তি হিসেবে বিয়ের রাতেই মেয়েটিকে ধর্ষণ করে স্বামী আর দেবর মিলে।

চলতি মাসের গোড়ায় মুজাফ্ফরনগরের এক পরিবারের বিয়ে হয় বছর ছাব্বিশের তরুণীর। বিয়ে ঠিক হওয়ার সময়েই পণের দাবিতে দুই পরিবারের মধ্যে ঝামেলা হয়। পরে বোঝাপড়ার মাধ্যমে বিয়েতে সম্মত হয় দুই পরিবার। কিন্তু বাসর রাতেই মর্মান্তিক পরিস্থিতির শিকার হন ওই তরুণী। স্বামী এবং দেওর মিলে তাকে একসঙ্গে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ।

তরুণীর পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ওই রাতে মদ্যপ অবস্থাকে মেয়েটিকে দুজনে মিলে ধর্ষণ করে। এরপর মেয়েটিকে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রেখে, ঘরের দরজা বাইরে থেকে বন্ধ করে তারা বেরিয়ে যায়। সারারাত মেয়েটি ওইভাবেই পড়ে থাকে। সকালে দরজা খুলে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

গত ৬ মার্চ ভারতের উত্তর প্রদেশের মুজাফ্ফরনগরে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে।

এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ওই তরুণী। মেডিকেল পরীক্ষায় তার উপর অকথ্য অত্যাচারের প্রমাণ মিলেছে বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর।

পরীক্ষা করা হয়েছে অভিযুক্ত স্বামী এবং দেওরেরও। পরীক্ষায় ওই রাতে তাদের মাতাল থাকারও প্রমাণ মিলেছে।

তরুণীর ভাই জানিয়েছেন, ‘ওদের পরিবারের লোভ, চাহিদা এসব খুব বেশি। ওরা বারবার পণের জন্য চাপ দিচ্ছিল। কিন্তু এমন ঘটনা ঘটে যাবে, এতটা কল্পনা করতে পারিনি।’

এ ঘটনায় ওই তরুণীর স্বামী ও দেবরের বিরুদ্ধে যৌতুক ও ধর্ষণসহ একাধিক ধারায় মামলা করা হয়েছে।

এই বিভাগের আরো খবর