সোমবার   ০৩ আগস্ট ২০২০   শ্রাবণ ১৯ ১৪২৭   ১৩ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

৩৪

শৈশবে সকালের নাস্তাটা নানার সঙ্গেই করতাম: জয়

প্রকাশিত: ২৭ জুলাই ২০২০  

২৭ জুলাই বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র ও প্রধানমন্ত্রীর আদরের দুলাল সজীব ওয়াজেদ জয়ের জন্মদিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে জন্ম নেন তিনি। সজীব ওয়াজেদ জয়ের নাম সামনে আসলেই ভেসে ওঠে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের বিভিন্ন স্মৃতিকথা। জয় নিজেও বিভিন্ন স্মৃতিচারণ করেছেন এই বিষয়ে। সম্প্রতি শিকাগোভিত্তিক রাজনৈতিক সংবাদমাধ্যম রিয়েল ক্লিয়ার পলিটিক্স-এ তার একটি স্মৃতিচারণ প্রকাশিত হয়েছে।

'শেখ মুজিব: বাংলাদেশের জনক ও আমার নানা' শীর্ষক নিবন্ধে তিনি লেখেন, শৈশবে আমি সকালের নাস্তাটা নানার সঙ্গেই করতাম। এ সময় নানা যা খেতেন সেটাই খাওয়া এবং তার মতো করেই খাওয়ার চেষ্টা করতাম। নানী কিন্তু আমার এই নানাপ্রীতি ও অন্ধ অনুকরণের জন্য মাঝেমধ্যেই বকা দিতেন। কিন্তু তাতে আমার উৎসাহ-উদ্দীপনা কোনোটাই কমেনি। এভাবেই চলছিল। কিন্তু একদিন নানা আমাকে তার জ্বলন্ত তামাকের পাইপে মজা করে টান দিতে দিয়েছিলেন। তারপর যা হওয়ার তাই হলো। বেদম কাশিতে আমার তখন প্রাণ যায় যায়! নানী তো রেগে আগুন। নানা সবকিছু দেখে তার সেই বিখ্যাত অট্টহাসিতে তখন ফেটে পড়েছেন। এমন বেশ কিছু মজার ঘটনা আমার স্মৃতিতে বাংলাদেশের জনক শেখ মুজিবকে চির স্মরণীয় করে রেখেছে। 

যেভাবে হলো জয়ের নাম-

২০১৭ সালের ২৭ জুলাই আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী জানান জয়ের নামকরণের ইতিহাস। জয়ের নামকরণের স্মৃতিচারণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওকে পেয়ে আমরা বন্দীখানার মধ্যে সজীবতা পেয়েছিলাম। তাই মা (বেগম মুজিব) নাম রেখেছিলেন সজীব। আর বাবা (বঙ্গবন্ধু) রেখেছিলেন ‘জয়’। ১৯৭১ সালের ২৩ মার্চ স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলনের দিনই বঙ্গবন্ধু তার নাতির নাম ঠিক করে যান। তিনি বলেন, ‘সেদিন আব্বা বলেছিলেন, আমি থাকব কিনা জানি না, দেখতে পারব কিনা জানি না। তোর ছেলে হবে। সে স্বাধীন বাংলাদেশের নাগরিক হবে। ছেলের নাম জয় রাখবি।’

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর আক্রমণের সাথে সাথে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার পর বঙ্গবন্ধুকে আটক করে পাকিস্তানি বাহিনী। শেখ হাসিনা তখন অন্তঃসত্ত্বা। এই অবস্থাতেও তাকে বন্দী করা হয় এবং সে সময়ের পিজি হাসপাতালে জন্ম হয় জয়ের।

এই বিভাগের আরো খবর